<p><br></p>
জাতীয় (সিনিয়র) দলগুলোর মুখোমুখি লড়াইয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকলেও বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল পাকিস্তানের যুবারা। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ৩ উইকেটে পরাজিত করে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান।
দুবাইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের দেওয়া ২০৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। দলের জয়ের মূল কারিগর ছিলেন অপরাজিত সেঞ্চুরিয়ান ব্যাটার হামজা জহুর।
ভারতের ব্যাটিং বিপর্যয় ও অর্জুনের একাকী লড়াই টস জিতে ব্যাট করতে নামা ভারতীয় যুব দলকে শুরুতেই চেপে ধরে পাকিস্তানি বোলাররা। দলীয় অধিনায়ক লক্ষ্য রাইচন্দানি শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। সাবেক ভারতীয় কিংবদন্তি বীরেন্দর শেবাগের ছেলে আর্যবীর ২২ রান এবং রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলে অন্বয় মাত্র ১০ রানে আউট হলে ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপ মারাত্মক চাপে পড়ে।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে পাল্টা আক্রমণ চালান পাঁচ নম্বরে নামা অর্জুন রাজপুত। মাত্র ৮০ বলে নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর ৮৫ বলে ১০৭ রানের মারকুটে এক ইনিংস খেলেন তিনি (১১টি চার ও ৫টি ছক্কার সাহায্যে)। অর্জুনের প্রস্থানের পর কাব্য প্যাটেলের গুরুত্বপূর্ণ ২৩ রানের ওপর ভর করে ৪৬.৩ ওভারে ২০৮ রানে অলআউট হয় ভারত।
পাকিস্তানের বোলিংয়ে সফল ছিলেন:
আলি রাজা: ৩টি উইকেট
রিজওয়ানুল্লাহ: ৩টি উইকেট
নিকাব শফিক: ৩টি উইকেট
পাকিস্তানের ধ্বংসস্তূপ থেকে হামজার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন
হামজাকে সঙ্গ দেন হাসনাইন আব্বাস দার (৬৭ বলে ৩৮ রান)। এই জুটি ষষ্ঠ উইকেটে ১০৭ রানের মহামূল্যবান পার্টনারশিপ গড়ে পাকিস্তানকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান।
শেষ পর্যন্ত ১০৮ বল মোকাবিলা করে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন হামজা। ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে চার মেরে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের স্মরণীয় সেঞ্চুরিটি সম্পূর্ণ করেন তিনি।
| দল | ম্যাচ | পয়েন্ট | সেমিফাইনাল স্থিতি |
| পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ | ২ | ৪ | কোয়ালিফাইড (শীর্ষস্থান) |
| ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ | ২ | ২ | শেষ ম্যাচের ওপর নির্ভরশীল (বনাম সংযুক্ত আরব আমিরাত) |
গ্রুপের শেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (UAE) হারাতে পারলেই শেষ চারের টিকিট কেটে ফেলবে ভারত।