<p><br></p>
০৫ নভেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৬:১৯:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রমিকদের দাবির আড়ালে বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না: বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে ট্রাভেল পাস নয়, বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির পথেই হাঁটবে ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: গোপালগঞ্জ সরকারি জেলা স্কুলের ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক অসন্তোষ: গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন ব্যবসায়ীরা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় বিপর্যয়: ডেমোক্র্যাটদের অভিশংসন হুঁশিয়ারি ও প্রশাসনের ভেতরে কোন্দল ষড়যন্ত্রকারীরা পার পাবে না, ২০২৪ সালের মতোই জনগণ তাদের জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া ও সরকারের ত্রিমুখী সমন্বয়ের তাগিদ মাহদী আমিনের জাতীয় দলের অধ্যায় চুকিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন রোনালদো পানছড়িতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু


হরমুজ প্রণালির কাছে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে দক্ষিণ কোরিয়া
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৫-১১-২০২৬
হরমুজ প্রণালির কাছে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে দক্ষিণ কোরিয়া


কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি এলাকায় নিজেদের নৌবাহিনীর জলদস্যুবিরোধী ইউনিটের কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। পাশাপাশি ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ জনবল পাঠানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দেশটি।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কেবিএস-এর তথ্যানুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই পরিকল্পনা অনুমোদন করে।

মূল বিষয়সমূহ:

  • সেনা বৃদ্ধি: চেওংহে নামের জলদস্যুবিরোধী এই ইউনিটে নতুন করে ৭৫ জন সদস্য যুক্ত করা হচ্ছে, যার ফলে ইউনিটটির মোট জনবল দাঁড়াবে ৩৯৫ জনে।

  • কার্যক্রমের পরিধি: ২০০৯ সাল থেকে সোমালিয়ার এডেন উপসাগরে জলদস্যু দমনে নিয়োজিত এই ইউনিটের কার্যক্রমের এলাকা বাড়িয়ে ওমানের দুকম বন্দরের দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত করা হবে, যা হরমুজ প্রণালি থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার (৪০৩.৮ মাইল) দূরে অবস্থিত।

  • নতুন সামরিক সরঞ্জাম: ইউনিটটিকে আরও শক্তিশালী করতে যুক্ত হচ্ছে পি-৮এ পোসেইডন সামুদ্রিক টহল বিমান, মাইন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণের চালকবিহীন ড্রোন এবং বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণে দক্ষ একটি বিশেষ দল।

  • সিউলের সতর্কতা: প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই পদক্ষেপে যুদ্ধের জন্য কোনো সেনা পাঠানো হচ্ছে না এবং দক্ষিণ কোরিয়া যাতে অন্য কোনো দেশের সংঘাতে জড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়েও বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আগে মন্ত্রিসভার পর্যালোচনা, প্রেসিডেন্টের অনুমোদন এবং পরবর্তীতে জাতীয় পরিষদের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।



শেয়ার করুন