কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি এলাকায় নিজেদের নৌবাহিনীর জলদস্যুবিরোধী ইউনিটের কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। পাশাপাশি ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ জনবল পাঠানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দেশটি।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কেবিএস-এর তথ্যানুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই পরিকল্পনা অনুমোদন করে।
মূল বিষয়সমূহ:
সেনা বৃদ্ধি: চেওংহে নামের জলদস্যুবিরোধী এই ইউনিটে নতুন করে ৭৫ জন সদস্য যুক্ত করা হচ্ছে, যার ফলে ইউনিটটির মোট জনবল দাঁড়াবে ৩৯৫ জনে।
কার্যক্রমের পরিধি: ২০০৯ সাল থেকে সোমালিয়ার এডেন উপসাগরে জলদস্যু দমনে নিয়োজিত এই ইউনিটের কার্যক্রমের এলাকা বাড়িয়ে ওমানের দুকম বন্দরের দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত করা হবে, যা হরমুজ প্রণালি থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার (৪০৩.৮ মাইল) দূরে অবস্থিত।
নতুন সামরিক সরঞ্জাম: ইউনিটটিকে আরও শক্তিশালী করতে যুক্ত হচ্ছে পি-৮এ পোসেইডন সামুদ্রিক টহল বিমান, মাইন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণের চালকবিহীন ড্রোন এবং বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণে দক্ষ একটি বিশেষ দল।
সিউলের সতর্কতা: প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই পদক্ষেপে যুদ্ধের জন্য কোনো সেনা পাঠানো হচ্ছে না এবং দক্ষিণ কোরিয়া যাতে অন্য কোনো দেশের সংঘাতে জড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়েও বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আগে মন্ত্রিসভার পর্যালোচনা, প্রেসিডেন্টের অনুমোদন এবং পরবর্তীতে জাতীয় পরিষদের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।