<p><br></p>
০৪ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার, ০৩:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাষাঢ়ায় ৯ তলার অনুমতিতে ১০ তলা ভবন: রাজউক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ ও সুবিধা নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়ার গ্রিডের হিসাবরক্ষণ সফটওয়্যার থেকে ২৬০ ভাউচার ডিলিট: স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ‘ফ্রি পার্কিং জোনের’ আড়ালে সম্রাটের অবৈধ ট্যাক্সি স্ট্যান্ড নারায়ণগঞ্জের মো. সোহাগ: মুদি দোকানদার থেকে ক্ষমতার ছত্রছায়ায় যেভাবে বনে গেলেন শিল্পপতি দৈনিক অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী মহাখালী থেকে আটক বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে ডিটিসিএ সচিব পদ হারাচ্ছেন মোহাম্মদ মসিউর রহমান রংপুরের কাউনিয়ায় ৯৫৫ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার টানা দুই দফায় বাড়ল সোনার দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ২৪ হাজার ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ আদালতের নির্দেশে মাধবপুরের কালীনগরে বিরোধপূর্ণ জমির ক্যাচম্যাপ তৈরি


আদালতের নির্দেশে মাধবপুরের কালীনগরে বিরোধপূর্ণ জমির ক্যাচম্যাপ তৈরি
এম এ কাদের, বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-১১-২০২৬
আদালতের নির্দেশে মাধবপুরের কালীনগরে বিরোধপূর্ণ জমির ক্যাচম্যাপ তৈরি


হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুর ইউনিয়নের কালীনগরে বিরোধপূর্ণ জমির ক্যাচম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন সিভিল কোর্টের ভূমি কমিশনার মোঃ শাহজাহান। এ সময় মামলার বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে জমির ক্যাচম্যাপ তৈরি করা হয়। স্থানীয় ব্যক্তিবর্গও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, ওই জমি নিয়ে হবিগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে ২০১২ সালের ৬৯ নম্বর স্বত্ব মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। মামলায় মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মোঃ শফিক মিয়া ও তাঁর পক্ষের অন্যরা বাদী। অপরদিকে মৃত আপতর হুসেনের ছেলে আপিল উদ্দিন ও তাঁর পক্ষের অন্যরা বিবাদী হিসেবে রয়েছেন।


মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নালিশি জমির মূল মালিক ছিলেন সায়েরা ভানু বিবি। এসএ জরিপেও তাঁর নামে জমিটি রেকর্ডভুক্ত ছিল। মামলার নথিতে জমির শ্রেণি হিসেবে বাড়ি, সাইল, চারা ও ডোবার উল্লেখ রয়েছে।


মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সায়েরা ভানু বিবির মৃত্যুর পর তাঁর তিন ছেলে আব্দুল হামিদ, আব্দুল খালেক ও আব্দুল ওয়াজেদ এবং এক মেয়ে খুশ বানু ওয়ারিশ হিসেবে জমির মালিকানা লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে তাঁদের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে জমির মালিকানা ও হিস্যা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়।


বাদীপক্ষের দাবি, তাঁরা ও মোকাবিলা বিবাদীপক্ষের সংশ্লিষ্ট ওয়ারিশরা মৌরশি সূত্রে নালিশি জমির স্বত্ববান ও দখলকার হিসেবে ভোগদখল করে আসছেন। মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জমির কয়েকজন ওয়ারিশ নগদ অর্থ গ্রহণের মাধ্যমে তাঁদের স্বত্ব ও দখলের দাবি বাদীপক্ষের অনুকূলে পরিত্যাগ করেন।


এ ছাড়া ২০০৯ সালে ২১০৯ নম্বর নামজারি মোকদ্দমার মাধ্যমে নালিশি জমি নামজারি করা হয়েছে বলেও বাদীপক্ষের বক্তব্যে উল্লেখ রয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, ১ নম্বর বিবাদী আপিল উদ্দিন ২০০১ সালের শেষের দিক থেকে ওই জমি বর্গা চাষ করতেন।


মামলায় বাদীপক্ষ নালিশি ভূমিতে তাঁদের সম্পূর্ণ স্বত্ব প্রতিষ্ঠা, মূল বিবাদীদের দখল থেকে জমি উদ্ধার এবং খাস দখল ফিরে পাওয়ার প্রতিকার চেয়েছেন। তবে জমির মালিকানা, স্বত্ব ও দখল নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ থাকায় বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।


এ অবস্থায় আদালতের নির্দেশে সরেজমিনে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে জমির ক্যাচম্যাপ তৈরির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট জমির সীমানা ও অবস্থান নির্ধারণে এ কার্যক্রম মামলার পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


তবে নালিশি জমির প্রকৃত মালিকানা ও স্বত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।



শেয়ার করুন