<p><br></p>
০৪ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার, ০৩:৩১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জের মো. সোহাগ: মুদি দোকানদার থেকে ক্ষমতার ছত্রছায়ায় যেভাবে বনে গেলেন শিল্পপতি দৈনিক অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী মহাখালী থেকে আটক বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে ডিটিসিএ সচিব পদ হারাচ্ছেন মোহাম্মদ মসিউর রহমান রংপুরের কাউনিয়ায় ৯৫৫ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার টানা দুই দফায় বাড়ল সোনার দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ২৪ হাজার ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ আদালতের নির্দেশে মাধবপুরের কালীনগরে বিরোধপূর্ণ জমির ক্যাচম্যাপ তৈরি শরীয়তপুরের উন্নয়নে রেললাইন ও দুটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা হুইপ অপুর নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানি: তদন্তে সত্যতা মিলেছে, প্রতিবেদন প্রকাশ করবে না বিসিবি চাঁদপুরে ১০০ প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান


শীত ঘনিয়ে আসতেই ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় রাশিয়ার জোরালো হামলা
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-১১-২০২৬
শীত ঘনিয়ে আসতেই ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় রাশিয়ার জোরালো হামলা


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আসন্ন শান্তি আলোচনার ঠিক এক সপ্তাহ আগে ইউক্রেনে তীব্র আক্রমণ চালিয়েছে রাশিয়া। কিয়েভ ও ঝিতোমির অঞ্চলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রে রুশ বাহিনী এই হামলা চালিয়েছে বলে বুধবার টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথেই ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে নিয়মিত লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে মস্কো। কিয়েভের পাশাপাশি পোলতাভা, দিনিপ্রো, কিরোভোহরাদ এবং রিভনে অঞ্চলেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। জানিয়েছে, ওদেসা উপকূলের কাছে সমুদ্রে থাকা একটি পণ্যবাহী জাহাজেও হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে ইউক্রেনের বড় একটি অংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছিল। অন্যদিকে, ক্রিমিয়ার বাইরে একটি দুর্ঘটনার জেরে ওই উপদ্বীপে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মস্কো। পাশাপাশি, রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ক্রাসনোদারের ওজোনের একটি সংরক্ষণ ও সরবরাহকেন্দ্রে ড্রোন হামলার ফলে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়।

 আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের সঙ্গে ত্রিমুখী শান্তি আলোচনা আবার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এর আগেই এই বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ দুই দেশের চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর আগে গত মাসে ক্রেমলিনের এক উপদেষ্টা জানিয়েছিলেন যে, রাশিয়ার জাতীয় ঐক্য দিবস—যা প্রতিবছর ৪ নভেম্বর উদযাপিত হয়—সেদিন ইউক্রেন কোনো বড় হামলা চালায় কি না, তার ওপর নির্ভর করবে মস্কোর শান্তি আলোচনার পরবর্তী অবস্থান।



শেয়ার করুন