<p><br></p>
০৩ নভেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৫:২৮:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজে জাহাজে হামলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতার ভূমিকা নিয়ে কূটনৈতিক প্রশ্ন মুগদা হাসপাতালে অনলাইন ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালু: কমবে রোগীদের ভোগান্তি পত্নীতলায় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ২ নতুন ছন্দে এগোচ্ছে কোয়াড: ২০২৬ সালে ইন্দো-প্যাসিফিকে জোরালো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত-জাপান-অস্ট্রেলিয়ার যৌথ প্রয়াস টঙ্গীতে মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুর মামলা: হাইকোর্টে জামিন পেলেন শাহজালাল রুমী আইপিএলে খেলার গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন মোহাম্মদ আমির যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতার লাগাম কি টানতে পারবে ডেমোক্র্যাটরা ঢাবির অধিভুক্ত উদয়ন স্কুল: এআই দিয়ে ছাত্রীদের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদ করায় ১০ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার نما বিক্ষোভ যশোরে অবৈধ সম্পর্কের জেরে স্বামী-স্ত্রীকে নৃশংস হত্যা: আটক ২ ঢাকার আদালতকে দুই ভাগে বিভক্ত করতে হাইকোর্টে রিট


বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা জোরদারে জাইকার ‘স্টার্ক’ প্রকল্পের সফল সমাপ্তি
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-১১-২০২৬
বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা জোরদারে জাইকার ‘স্টার্ক’ প্রকল্পের সফল সমাপ্তি


ঢাকা: নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (BFSA) সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো জাইকার কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়িত STIRC (স্টার্ক) প্রকল্পের ফাইনাল রেজাল্ট শেয়ারিং সেমিনার ও অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএফএসএ-এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “জাইকা বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম বিশ্বস্ত সহযোগী। দেশের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা তৈরিতে স্টার্ক প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”

২০১৯ সাল থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় দেশব্যাপী বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে:

  • ল্যাবরেটরি সক্ষমতা বৃদ্ধি: দেশের ১৮টি জেলা নিরাপদ খাদ্য কার্যালয়ে মিনি-ল্যাবরেটরি স্থাপন এবং ৬৪টি জেলা ও ৮টি মহানগর কার্যালয়ের পরীক্ষাগার পরিচালনায় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

  • আইন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার পর্যালোচনা: নিরাপদ খাদ্য আইন, বিধিমালা ও মানদণ্ড বাস্তবায়নের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • দক্ষতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি: মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, খাদ্য পরিদর্শক এবং পরীক্ষাগার কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, মিষ্টি প্রস্তুতকারী এবং হোটেল-রেস্তোরাঁর কর্মীদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

  • ডিজিটাল ও আধুনিক পদ্ধতি: জিএমপি (GMP) এবং জাপানিজ ৫এস (5S) কাইজেন পদ্ধতিবিষয়ক ভিডিও তৈরি, পরিদর্শন চেকলিস্ট এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়েছে।

জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র প্রতিনিধি মিস ইজুমি শোজি অনুষ্ঠানে বলেন, “নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা কেবল একটি কারিগরি বিষয় নয়, এটি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত।”

বিএফএসএ-এর সচিব ও স্টার্ক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) শ্রাবস্তী রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে খাদ্য মন্ত্রণালয়, বিএফএসএ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রকল্পের অর্জনগুলো আগামী দিনে একটি শক্তিশালী ও বিজ্ঞানভিত্তিক নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।



শেয়ার করুন