<p><br></p>
০৩ নভেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৬:২০:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষ: ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে বিক্ষোভ, মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিএনপি শ্রমিক আন্দোলন: সরকারকে বেকায়দায় ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র দেখছে বিকেএমইএ নন্দীগ্রামে আড়াই কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে আধুনিক ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়াতে চর্তুমুখী সংঘর্ষে এক ভ্যানগাড়ি চালক নিহত আহত - ৩ গোপালগঞ্জে মাদক ও বিক্রির টাকাসহ এক ব্যবসায়ী আটক গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ছাড়াল সরকারকে ব্যর্থ করতে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তি অপচেষ্টা চালাচ্ছে: রাশেদ খাঁন হরমুজে জাহাজে হামলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতার ভূমিকা নিয়ে কূটনৈতিক প্রশ্ন মুগদা হাসপাতালে অনলাইন ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালু: কমবে রোগীদের ভোগান্তি


ঢাকার আদালতকে দুই ভাগে বিভক্ত করতে হাইকোর্টে রিট
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-১১-২০২৬
ঢাকার আদালতকে দুই ভাগে বিভক্ত করতে হাইকোর্টে রিট


রাজধানীর বিচারিক কার্যক্রমে গতি আনতে এবং মামলার জট কমাতে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতকে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ—এই দুটি পৃথক বিচারিক অঞ্চলে বিভক্ত করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান মঙ্গলবার (আজ) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে যাওয়ার নেপথ্য কারণ: এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক, আইনগত ও বিচারিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইনমন্ত্রী, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন আইনজীবী সালাহ উদ্দিন। তবে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় তিনি শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

রিটের প্রধান দাবি: রিটে নিম্নলিখিত বিচারিক কাঠামোগুলো আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠা বা পুনর্গঠনের দাবি জানানো হয়েছে:

  • ঢাকা উত্তর: ঢাকা উত্তর জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং ঢাকা উত্তর মহানগর দায়রা আদালত।

  • ঢাকা দক্ষিণ: ঢাকা দক্ষিণ জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং ঢাকা দক্ষিণ মহানগর দায়রা আদালত।

কেন এই পরিবর্তন জরুরি? রিট আবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীতে বর্তমানে প্রায় আড়াই কোটি মানুষের বসবাস। বিশাল ভৌগোলিক এলাকার পাশাপাশি দেওয়ানি, ফৌজদারি, পারিবারিক এবং বিশেষ মামলার চাপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। একটিমাত্র কেন্দ্রীয় কাঠামোর অধীনে অতিরিক্ত মামলার চাপ, বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী, সাক্ষী ও আসামিদের দীর্ঘ ভিড়ের কারণে বিচারিক প্রশাসনের ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের আদালতে যাতায়াত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ার পাশাপাশি দ্রুত বিচার নিষ্পত্তিও মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিচার ব্যবস্থাকে সহজলভ্য ও গতিশীল করতেই এই পুনর্বিন্যাস সময়ের দাবি বলে উল্লেখ করা হয়।



শেয়ার করুন