<p><br></p>
ঢাকা: মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্য জানার অধিকার এবং নিরাপদ জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম মানবাধিকার ও শান্তিবিষয়ক সংসদীয় ককাস। বুধবার (৪ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে ককাসের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংসদ ভবনের টানেলে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ককাসের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন এর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।
স্বাধীন মতপ্রকাশ: নাগরিকরা যেন স্বাধীনভাবে কথা বলতে, মতামত প্রকাশ করতে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারেন, তা নিশ্চিত করা।
মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধ: অতীতের গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনাগুলো চিহ্নিত করে সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচারপ্রক্রিয়া তদারকি করা।
সমন্বিত উদ্যোগ: নির্বাহী বিভাগের বাইরে থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করার পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র, আইন, পররাষ্ট্র এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় বজায় রাখা।
ঐতিহাসিক উদ্যোগ: বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে মানবাধিকারবিষয়ক কোনো সংসদীয় ককাস গঠিত হলো।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট: ককাস সভাপতি ফাহিমা নাসরিন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের ৩৬ দিনে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত এবং ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবে ককাস।
উপস্থিত নেতৃত্ব: ককাসের প্রথম বৈঠকে সভাপতি অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, সাঈদ আল নোমান, মীর আহমাদ বিনকাসেম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, মো. আবুল হাসনাত, জহরত আদিব চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম ও আন্না মিনজ।