<p><br></p>
০৩ নভেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৬:২৬:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে কবি ও সাংবাদিকের স্ত্রী রিনা রানী মধু নেই ‎নাসিরনগরে চাঞ্চল্যকর অটোচালক হত্যা: মূল ঘাতক গ্রেফতার, ঘটনাস্থলে গিয়ে হত্যার বর্ণনা গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষ: ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে বিক্ষোভ, মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিএনপি শ্রমিক আন্দোলন: সরকারকে বেকায়দায় ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র দেখছে বিকেএমইএ নন্দীগ্রামে আড়াই কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে আধুনিক ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়াতে চর্তুমুখী সংঘর্ষে এক ভ্যানগাড়ি চালক নিহত আহত - ৩ গোপালগঞ্জে মাদক ও বিক্রির টাকাসহ এক ব্যবসায়ী আটক গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ছাড়াল সরকারকে ব্যর্থ করতে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তি অপচেষ্টা চালাচ্ছে: রাশেদ খাঁন


বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা জোরদারে জাইকার ‘স্টার্ক’ প্রকল্পের সফল সমাপ্তি
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-১১-২০২৬
বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা জোরদারে জাইকার ‘স্টার্ক’ প্রকল্পের সফল সমাপ্তি


ঢাকা: নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (BFSA) সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো জাইকার কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়িত STIRC (স্টার্ক) প্রকল্পের ফাইনাল রেজাল্ট শেয়ারিং সেমিনার ও অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএফএসএ-এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “জাইকা বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম বিশ্বস্ত সহযোগী। দেশের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা তৈরিতে স্টার্ক প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”

২০১৯ সাল থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় দেশব্যাপী বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে:

  • ল্যাবরেটরি সক্ষমতা বৃদ্ধি: দেশের ১৮টি জেলা নিরাপদ খাদ্য কার্যালয়ে মিনি-ল্যাবরেটরি স্থাপন এবং ৬৪টি জেলা ও ৮টি মহানগর কার্যালয়ের পরীক্ষাগার পরিচালনায় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

  • আইন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার পর্যালোচনা: নিরাপদ খাদ্য আইন, বিধিমালা ও মানদণ্ড বাস্তবায়নের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • দক্ষতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি: মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, খাদ্য পরিদর্শক এবং পরীক্ষাগার কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, মিষ্টি প্রস্তুতকারী এবং হোটেল-রেস্তোরাঁর কর্মীদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

  • ডিজিটাল ও আধুনিক পদ্ধতি: জিএমপি (GMP) এবং জাপানিজ ৫এস (5S) কাইজেন পদ্ধতিবিষয়ক ভিডিও তৈরি, পরিদর্শন চেকলিস্ট এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়েছে।

জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র প্রতিনিধি মিস ইজুমি শোজি অনুষ্ঠানে বলেন, “নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা কেবল একটি কারিগরি বিষয় নয়, এটি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত।”

বিএফএসএ-এর সচিব ও স্টার্ক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) শ্রাবস্তী রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে খাদ্য মন্ত্রণালয়, বিএফএসএ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রকল্পের অর্জনগুলো আগামী দিনে একটি শক্তিশালী ও বিজ্ঞানভিত্তিক নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।



শেয়ার করুন