<p><br></p>
০৫ নভেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৬:৪৩:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাদা অ্যাপ্রনের স্বপ্ন অধরা রেখেই কফিনে ফিরছে কাশ্মীরের মেডিকেলছাত্র আদনানের দেহ স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংসের হাত থেকে পুনরুদ্ধার করে ট্র্যাকে ফেরানো হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গোবিপ্রবিতে ৯ম জাতীয় মার্কেটিং দিবস পালিত জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ির মেলা শুরু: আইসিসিবিতে জমে উঠেছে ‘বারভিডা কার এক্সপো ২০২৬’ শ্রমিকদের দাবির আড়ালে বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না: বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে ট্রাভেল পাস নয়, বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির পথেই হাঁটবে ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: গোপালগঞ্জ সরকারি জেলা স্কুলের ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক অসন্তোষ: গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন ব্যবসায়ীরা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় বিপর্যয়: ডেমোক্র্যাটদের অভিশংসন হুঁশিয়ারি ও প্রশাসনের ভেতরে কোন্দল ষড়যন্ত্রকারীরা পার পাবে না, ২০২৪ সালের মতোই জনগণ তাদের জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী


আটকে দিল পুলিশ জামায়াতসহ ৮ দলের মিছিল
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৬-১১-২০২৫
আটকে দিল পুলিশ জামায়াতসহ ৮ দলের মিছিল


জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারিসহ পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি নিয়ে যমুনা অভিমুখে রওনা হওয়া মিছিল রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে আটকে দিয়েছে পুলিশ। 

তবে স্মারকলিপি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে যাচ্ছেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপার) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় পল্টন মোড় থেকে প্রেসক্লাব হয়ে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর মিছিল শুরু হয়। এ সময় নভেম্বরে গণভোটসহ বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন তারা। 

ঘোষণা অনুযায়ী রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে মিছিল নিয়ে পুরানা পল্টনে মিলিত হন জামায়াতসহ আন্দোলনরত আটটি ইসলামী দলের নেতাকর্মীরা। পল্টনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তারা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টার পর থেকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বিভিন্ন এলাকা থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দলে দলে মিছিল নিয়ে তারা শাপলা চত্বর অভিমুখে আসতে থাকেন। পরে তারা পুরানা পল্টনে অন্য দলগুলোর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হন। 

পাঁচ দফা দাবি হলো– 

১. জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি এবং ওই আদেশের ওপর নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজন।

২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে বা উচ্চকক্ষে পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতি চালু।

৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।

৪. বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।

৫. জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

ইসলামী আট দল হলো– জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।



শেয়ার করুন