<p><br></p>
০৫ নভেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৬:৪৬:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাদা অ্যাপ্রনের স্বপ্ন অধরা রেখেই কফিনে ফিরছে কাশ্মীরের মেডিকেলছাত্র আদনানের দেহ স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংসের হাত থেকে পুনরুদ্ধার করে ট্র্যাকে ফেরানো হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গোবিপ্রবিতে ৯ম জাতীয় মার্কেটিং দিবস পালিত জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ির মেলা শুরু: আইসিসিবিতে জমে উঠেছে ‘বারভিডা কার এক্সপো ২০২৬’ শ্রমিকদের দাবির আড়ালে বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না: বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে ট্রাভেল পাস নয়, বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির পথেই হাঁটবে ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: গোপালগঞ্জ সরকারি জেলা স্কুলের ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক অসন্তোষ: গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন ব্যবসায়ীরা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় বিপর্যয়: ডেমোক্র্যাটদের অভিশংসন হুঁশিয়ারি ও প্রশাসনের ভেতরে কোন্দল ষড়যন্ত্রকারীরা পার পাবে না, ২০২৪ সালের মতোই জনগণ তাদের জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী


সাদা অ্যাপ্রনের স্বপ্ন অধরা রেখেই কফিনে ফিরছে কাশ্মীরের মেডিকেলছাত্র আদনানের দেহ
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৫-১১-২০২৬
সাদা অ্যাপ্রনের স্বপ্ন অধরা রেখেই কফিনে ফিরছে কাশ্মীরের মেডিকেলছাত্র আদনানের দেহ


গলায় স্টেথোস্কোপ ঝোলানোর স্বপ্ন আর বুকভরা আশা নিয়ে ভারত থেকে কুমিল্লায় এসেছিলেন আদনান আলতাফ রাথার। গায়ে জড়ানোর কথা ছিল চিকিৎসকদের প্রতীকী সাদা অ্যাপ্রন। কিন্তু সেই স্বপ্ন কেবল স্বপ্নই থেকে গেল; সাদা অ্যাপ্রনের পরিবর্তে তার নিথর দেহ এখন বন্দি সাদা কফিনে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিগগিরই তার মরদেহ স্বজনদের কাছে ভারতে ফিরিয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে।

পরিচয় ও পটভূমি নিহত আদনান ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার সুপুর এলাকার বুনপাড়া দাঙ্গালপাড়ার আলতাফ হোসেন রাথারের ছেলে। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কাবিলায় অবস্থিত ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ-এর ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের (ইএমসি-১৪ ব্যাচ) ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

যেভাবে মর্মান্তিক পরিণতি কলেজ কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, পড়াশোনায় কিছুটা অমনোযোগী ও অসুস্থতার কারণে আদনান দুই বছর পিছিয়ে পড়েছিলেন। পরীক্ষা উপলক্ষে গত ৩০ অক্টোবর তার মা নিগাদ বেগম তাকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। নিয়ম অনুযায়ী আদনান ছাত্রাবাসে এবং তার মা কলেজের ছাত্রীনিবাসে অবস্থান করছিলেন। গত সোমবার রাত থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হন আদনান। সার-রাত সন্ধান না পেয়ে মঙ্গলবার রাতে থানায় জিডি করেন তার উদ্বিগ্ন মা। অবশেষে বুধবার সকালে কলেজ-সংলগ্ন একটি জলাশয় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মর্মান্তিক এই সংবাদে কলেজ ক্যাম্পাসে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া; মায়ের বুকফাটা কান্নায় ভারি হয়ে ওঠে চারপাশ।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্যইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ-এর চেয়ারম্যান শাহ মো. সেলিম জানান, আদনানের মানসিক স্বাস্থ্য ও পড়াশোনার বিষয়টি পরিবারকে আগেই জানানো হয়েছিল এবং তার মায়ের অবস্থানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে তার মৃত্যুর বিষয়টি চট্টগ্রাম ও ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনকে অবহিত করা হয়েছে।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুর রহমান জানান, ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ প্রহরায় মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) হিমঘরে রাখা হয়েছে। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে।



শেয়ার করুন