<p><br></p>
০৫ নভেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৭:২৯:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে ১৯ মামলার পলাতক আসামি ফিরোজ বাবু গ্রেপ্তার সরকারি মুকসুদপুর কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে উন্নয়নের নতুন আশ্বাস দিলেন এমপি সেলিমুজ্জামান শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ রেলওয়ের ৬৫ লাখ টাকার বেডিং জালিয়াতি: তদন্তে গড়িমসি ও সময়সীমা নিয়ে ধোঁয়াশা মির্জাপুরে দরপত্র ছাড়াই সরকারি বালু বিক্রির অভিযোগ, ইউএনওর বিরুদ্ধে সহযোগিতার প্রশ্ন শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ‘উদ্যোগ’ ঋণের প্রলোভনে প্রতারণা: বিকাশ বা অন্য মাধ্যমে টাকা না দেওয়ার কড়া সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের সাদা অ্যাপ্রনের স্বপ্ন অধরা রেখেই কফিনে ফিরছে কাশ্মীরের মেডিকেলছাত্র আদনানের দেহ স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংসের হাত থেকে পুনরুদ্ধার করে ট্র্যাকে ফেরানো হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গোবিপ্রবিতে ৯ম জাতীয় মার্কেটিং দিবস পালিত


প্রযুক্তির অগ্রগতি যেন বেকারত্ব না বাড়ায়: বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিটে রাষ্ট্রপতি
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৫-১১-২০২৬
প্রযুক্তির অগ্রগতি যেন বেকারত্ব না বাড়ায়: বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিটে রাষ্ট্রপতি


প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যেন দেশের বেকারত্ব সংকটকে আরও তীব্র না করে, সে বিষয়ে কঠোর সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, প্রযুক্তি মানুষের কল্যাণের জন্য তৈরি, মানুষ প্রযুক্তির জন্য নয়। তাই এর অগ্রগতি অবশ্যই মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মানবিক মূল্যবোধ সুরক্ষার কাজে লাগাতে হবে।

বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত দেশের প্রথম ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) যৌথভাবে এই সামিটের আয়োজন করে।

সামিটে এআই প্রযুক্তির বহুমাত্রিক প্রভাব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, আগামী এক দশকে দেশের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প এবং কর্মসংস্থানসহ পুরো অর্থনীতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গভীর প্রভাব ফেলবে। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে সঠিক ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এআই দক্ষ করে তোলার ওপর জোর দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, যেভাবে তৈরি পোশাকশিল্প বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়িয়েছে, ভবিষ্যতে এআই খাতও ঠিক তেমনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

তবে এর পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টিও সামনে এনেছেন তিনি। রাষ্ট্রপতি সতর্ক করেন যে, নিরাপদ ব্যবহার ও কার্যকর তদারকি না থাকলে এআই মানবসভ্যতার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ কারণে সরকার ইতিমধ্যে মানবাধিকার, নৈতিকতা এবং ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের ওপর ভিত্তি করে মানবকেন্দ্রিক ‘জাতীয় এআই নীতিমালা’ প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে, যার মধ্যে বাংলা ভাষাভিত্তিক এআই সক্ষমতা তৈরির উদ্যোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ব্যবসায়ী নেতাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এআইকে কেবল ব্যবসায়িক খরচ কমানোর মাধ্যম হিসেবে না দেখে নতুন পণ্য, সেবা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। পরিশেষে, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ, গবেষক ও তরুণদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সামিটের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন



শেয়ার করুন