<p><br></p>
ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে শচীন টেন্ডুলকার এক অনন্য নাম হলেও, জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে তার অভিজ্ঞতা মোটেও সুখকর ছিল না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিতে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজের অধিনায়কত্বকালকে নব্বইয়ের দশকের এক ‘অন্ধকার অধ্যায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এই কিংবদন্তি ব্যাটার।
মাত্র ২৩ বছর বয়সে (১৯৯৬ সালের ১০ আগস্ট) মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের কাছ থেকে নেতৃত্বের ভার গ্রহণ করেছিলেন শচীন। তবে সে সময়ে দল নির্বাচনে পূর্ণ স্বাধীনতা না থাকা এবং বোর্ডের পেশাদারিত্বের অভাব তার অধিনায়কত্বের যাত্রাকে বেশ কঠিন করে তুলেছিল। টেস্টে মাত্র ১৬ শতাংশ এবং ওয়ানডেতে ৩১ শতাংশ জয়ের হার নিয়ে শচীনের পরিসংখ্যানও ছিল বেশ হতাশাজনক। ফলস্বরূপ, ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে ১৯৯৭ সালে নেতৃত্ব হারান এবং ২০০০ সালে স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।
নিজের অভিজ্ঞতা কঠিন হলেও পরবর্তী প্রজন্মের সফল ভারতীয় অধিনায়কদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন লিটল মাস্টার। তার পছন্দের ভারতীয় অধিনায়কদের তালিকার একেবারে শীর্ষে রয়েছে সৌরভ গাঙ্গুলী ও মহেন্দ্র সিং ধোনির নাম।
শচীনের মতে, এই দুই সফল অধিনায়ক ভারতীয় ক্রিকেটকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এবং দেশের হয়ে একাধিক গর্বের মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন:
তার নেতৃত্বেই ২০০৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল ভারত।
তার জাদুকরি নেতৃত্বে ২০১১ সালে ঘরের মাঠে দ্বিতীয়বারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় দল।
পাশাপাশি, দক্ষিণ আফ্রিকার বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক েম্বা বাভুমার নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেছেন শচীন। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যেভাবে বাভুমা প্রোটিয়া দলকে আইসিসি শিরোপা জয়সহ দারুণ সব সাফল্য এনে দিচ্ছেন, তার ভূয়সী প্রশংসা করেন ভারতীয় এই কিংবদন্তি।