<p><br></p>
০৮ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার, ১০:৪৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিক রাজুর ওপর হামলা: পরীমনির বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থার জোরালো দাবি জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ সভায় ১ম থেকে ১২তম নিবন্ধনধারী শিক্ষকদের সরকারের নির্বাহী আদেশে নিয়োগের জোরালো সুপারিশ! নেতানিয়াহুর যুগের অবসান ঘটানোর চ্যালেঞ্জ: ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্বে গাদি আইজেনকোট কাবা শরিফের সামনে ছবি প্রকাশ করে বিয়ের ইঙ্গিত দিলেন অভিনেত্রী নাজনীন নীহা ইরানের স্থলপথ ও সীমান্ত রোধে ২০ সদস্যের বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করল যুক্তরাষ্ট্র হামজা জহুরের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ভারতকে ৩ উইকেটে হারাল পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল ফিটফাট হয়ে এপারে আসতে হবে, ফাঁকা আওয়াজে কাজ হবে না: টাঙ্গাইলে হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রী টুকুর চরফ্যাশনে সারের কৃত্রিম সংকট ও মিয়ানমারে পাচার: ডিলারদের কারসাজিতে দিশেহারা কৃষকরা মানসিকতার বদলেই ক্যারিবীয় ব্যাটিংয়ে সাফল্যের ধারা: কাভেম হজ চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নিখোঁজের ১৮ ঘণ্টা পর পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার


২০২৮ সালের মধ্যে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা চালুর লক্ষ্য সরকারের: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৮-১১-২০২৬
২০২৮ সালের মধ্যে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা চালুর লক্ষ্য সরকারের: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ


শিক্ষার্থীদের বয়স, শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং তাদের শিখন চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্য রেখে ২০২৮ সালের নতুন কারিকুলামে একটি আধুনিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার। দৈনিক ইত্তেফাক-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ কথা জানিয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসসকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, প্রযুক্তির ছোঁয়া, মিড-ডে মিল সম্প্রসারণ এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। সরকারের মূল পরিকল্পনার বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • এনসিটিবির মাধ্যমে সংস্কার: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) একটি পরিমার্জিত ও উন্নত কারিকুলাম প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • আনন্দময় পাঠদান: শিক্ষার্থীরা যেন শ্রেণিকক্ষে খেলতে খেলতে পড়াশোনা করতে পারে, সে জন্য শিক্ষণীয় খেলনা এবং আকর্ষণীয় শিখন উপকরণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

  • মূল বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা: বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়াতে ডিজিটাল কনটেন্ট ও ব্যবহারিক শিক্ষার পাশাপাশি গণিত-বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা হবে।

  • বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় মিড-ডে মিল কর্মসূচি সফলভাবে চলমান রয়েছে। নতুন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি)-র মাধ্যমে এর পরিধি বাড়িয়ে আগামী ২০২৭ সালের মধ্যেই দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতভাগ শিশুর জন্য দুপুরের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা হবে।

  • খাবারের মান ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মায়েদের নিয়ে গঠিত ‘মাদার্স কমিটি’র তদারকি এবং মাঠপর্যায়ে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

  • শিক্ষকদের ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দক্ষ করতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ এবং ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গুগলের মতো বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি করা হবে।

  • দুর্গম ও বিদ্যুৎবিহীন এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপন এবং ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ নিশ্চিত করার কাজও হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কাঙ্ক্ষিত সংস্কার আনতে কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শুধু ভবন নির্মাণ নয়, বরং শ্রেণिकক্ষ, আসবাবপত্র, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা এবং নদীভাঙন বা পাহাড়ি অঞ্চলের ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনা করে শিশুবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি শিশুর শিক্ষার সুযোগ, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষতা অর্জনে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।



শেয়ার করুন