<p><br></p>
ডাকাতির মামলায় সাজা এড়াতে টানা আট বছর ধরে নারীর ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকা এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে তুরস্কের পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম তুঘরুল বাশার। চেহারা সম্পূর্ণ বদলে এবং বোনের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে দীর্ঘ দিন তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
২০১০ সালে সরকারি কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয় দিয়ে তিনটি ডাকাতির অপরাধে তুঘরুল বাশারকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন তুরস্কের একটি আদালত। তবে সাজা এড়াতে ২০১৮ সাল থেকে তিনি সম্পূর্ণ গা-ঢাকা দেন।
সম্প্রতি ইস্তাম্বুলের কাদিকয় এলাকায় পলাতক আসামিদের ধরতে এক বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে গোয়েন্দারা লক্ষ্য করেন, বাশারের বোনের বাড়িতে হুবহু একই পরিচয় ও চেহারার অবয়বে দুই নারী নিয়মিত যাতায়াত করছেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় নজরদারি বাড়ায় পুলিশ।
পরবর্তী সময়ে বাশারকে আটক করা হলেও তার চেহারার আমূল পরিবর্তন এবং নারীসুলভ বেশভূষার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে বায়োমেট্রিক অর্থাৎ আঙুলের ছাপ (Fingerprint) পরীক্ষা করতেই উন্মোচিত হয় তার আসল পরিচয়।
ছদ্মবেশের কৌশল: গ্রেপ্তারের সময় বাশারের কাছে তার বোনের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়। তিনি কি শুধু মেকআপ ও পোশাকের মাধ্যমে রূপ পরিবর্তন করেছিলেন, নাকি কোনো অস্ত্রোপচার/লিঙ্গ পরিবর্তন করেছিলেন—সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আইনি অবস্থান: তুরস্কের জাতীয় নিবন্ধন ব্যবস্থায় তার নাম বা লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো সরকারি রেকর্ড নেই। ফলে আইনি নথি অনুযায়ী তাকে পুরুষ হিসেবেই কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।