<p><br></p>
০৭ নভেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১০:১২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নোয়াহ ওকাফরের জাদুকরী গোল: টটেনহামের জয়রথ থামাল লিডস আট বছর বোনের পরিচয়ে আত্মগোপন: অবশেষে আঙুলের ছাপে ধরা পড়লেন তুর্কি পলাতক আসামি ৭ নভেম্বর দেশের স্বাধীনতা রক্ষার দিন: রুহুল কবির রিজভী "সামাজিক মাধ্যমে হুংকার নয়, দেশে ফিরে কাঠগড়ায় দাঁড়ান: হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী" ষড়যন্ত্রকারীরা এক হয়ে দেশের বিরুদ্ধে পাঁয়তারা করছে: শামা ওবায়েদ গাজীপুরে উদ্‌যাপিত হলো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: জেলা প্রশাসনের নানা আয়োজন আওয়ামী লীগ নেতা হানিফ ও জাসদ নেতা ইনুর আশির্বাদে চাকুরী ফিরে পাওয়া সেই জামানুর এখন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী প্রথম শীতকালীন ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত গাজা: তলিয়ে গেছে ৭০ হাজার তাঁবু ৭ নভেম্বর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা হয়েছিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাভারে পুলিশের লুট হওয়া ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ যুবক আটক, মামলা দায়ের


সাফে থমাস ডুলির 'ট্যাকটিক্যাল জুয়া': রাইট-ব্যাক বিশ্বনাথকে ফরোয়ার্ডে খেলানোর পেছনের গল্প
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৭-১১-২০২৬
সাফে থমাস ডুলির 'ট্যাকটিক্যাল জুয়া': রাইট-ব্যাক বিশ্বনাথকে ফরোয়ার্ডে খেলানোর পেছনের গল্প


বাস্তববাদী কোচ হিসেবে পরিচিত থমাস ডুলি সাফের প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে যেন সম্পূর্ণ এক নতুন কৌশল বেছে নিলেন। চেনা ছক ভেঙে ডিফেন্ডারদের পজিশন বদল করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের এই কোচ।

ম্যাচে কোচ থমাস ডুলি প্রথাগত ফুটবল ব্যাকরণকে পাশ কাটিয়ে বড় এক পরিবর্তন আনেন। দলের নিয়মিত রাইট-ব্যাক বিশ্বনাথ ঘোষকে তিনি সরাসরি নামিয়ে দেন সেন্টার ফরোয়ার্ডের পজিশনে। অন্যদিকে, রক্ষণ সামলানোর দায়িত্ব থেকে তারিক কাজীকে টেনে এনে বসানো হয় ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডের দায়িত্বে। সেরা একাদশের চার গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় (হামজা, মুরসালিন, ফারহান ও তপু) ছাড়াই মাঠে নামতে হওয়া ডুলির এই সিদ্ধান্তকে অনেকে ফ্যান্টাসি মনে করলেও এর পেছনের কৌশল ছিল বেশ সুদূরপ্রসারী।

  • প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করা: একজন খাঁটি ডিফেন্ডার যখন আচমকা স্ট্রাইকার হিসেবে বক্সের ভেতর চলে আসেন, তখন প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ স্বাভাবিকভাবেই গোলকধাঁধায় পড়ে যায়।

  • শারীরিক শক্তি ও উচ্চ প্রেসিং: ভুটানের ডিফেন্ডারদের শারীরিক গড়ন ও শক্তির বিপক্ষে লড়াই করার জন্য এমন একজন খেলোয়াড় প্রয়োজন ছিল যিনি এরিয়াল ডুয়েল বা বাতাসে ভেসে থাকা বলের দখল নিতে পারেন। বিশ্বনাথের অদম্য এনার্জি ও হাই প্রেসিং ভুটানকে নিচ থেকে বল বিল্ড-আপ করতে দেয়নি।

  • সুযোগ তৈরি: যদিও প্রথমার্ধে রাকিবের ক্রস থেকে দুটি সুযোগ হাতছাড়া করেন বিশ্বনাথ, তবে কোচ ডুলি তাঁর পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট। ডুলির মতে, "সে চ্যালেঞ্জ নিতে একটুও ভয় পায় না এবং পুরো শক্তি দিয়ে দৌড়াতে থাকে।"

হামজা চৌধুরীর অনুপস্থিতিতে মাঝমাঠের যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তা সফলভাবে পূরণ করেন তারিক কাজী। রক্ষণভাগের এই খেলোয়াড় ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডে নেমে নিখুঁত ইন্টারসেপশন ও বল ডিস্ট্রিবিউশনের মাধ্যমে ভুটানের কাউন্টার অ্যাটাকগুলো দারুণভাবে রুখে দেন। এর ফলে জামাল ভূঁইয়ারাও মাঝমাঠে বাড়তি খেলার স্বাধীনতা পান।

গোল না পাওয়ায় বিশ্বনাথের এই পজিশন পরিবর্তন নিয়ে সমালোচনা হলেও, আধুনিক ফুটবলে গ্যারেথ বেলের ডিফেন্ডার থেকে উইঙ্গারে রূপান্তরের ইতিহাস নতুন নয়। ভুটানের বিপক্ষে ডুলির এই ট্যাকটিক্যাল মাস্টারস্ট্রোক হয়তো গোল এনে দেয়নি, তবে এটি প্রতিপক্ষের মনে ঠিকই আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। এটিকে পাগলামি না বলে বরং কোচের এক সাহসি কৌশল বলেই মানছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।



শেয়ার করুন