সাফে থমাস ডুলির 'ট্যাকটিক্যাল জুয়া': রাইট-ব্যাক বিশ্বনাথকে ফরোয়ার্ডে খেলানোর পেছনের গল্প


অনলাইন ডেস্ক , আপডেট করা হয়েছে : 07-11-2026

সাফে থমাস ডুলির 'ট্যাকটিক্যাল জুয়া': রাইট-ব্যাক বিশ্বনাথকে ফরোয়ার্ডে খেলানোর পেছনের গল্প

বাস্তববাদী কোচ হিসেবে পরিচিত থমাস ডুলি সাফের প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে যেন সম্পূর্ণ এক নতুন কৌশল বেছে নিলেন। চেনা ছক ভেঙে ডিফেন্ডারদের পজিশন বদল করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের এই কোচ।

ম্যাচে কোচ থমাস ডুলি প্রথাগত ফুটবল ব্যাকরণকে পাশ কাটিয়ে বড় এক পরিবর্তন আনেন। দলের নিয়মিত রাইট-ব্যাক বিশ্বনাথ ঘোষকে তিনি সরাসরি নামিয়ে দেন সেন্টার ফরোয়ার্ডের পজিশনে। অন্যদিকে, রক্ষণ সামলানোর দায়িত্ব থেকে তারিক কাজীকে টেনে এনে বসানো হয় ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডের দায়িত্বে। সেরা একাদশের চার গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় (হামজা, মুরসালিন, ফারহান ও তপু) ছাড়াই মাঠে নামতে হওয়া ডুলির এই সিদ্ধান্তকে অনেকে ফ্যান্টাসি মনে করলেও এর পেছনের কৌশল ছিল বেশ সুদূরপ্রসারী।

হামজা চৌধুরীর অনুপস্থিতিতে মাঝমাঠের যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তা সফলভাবে পূরণ করেন তারিক কাজী। রক্ষণভাগের এই খেলোয়াড় ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডে নেমে নিখুঁত ইন্টারসেপশন ও বল ডিস্ট্রিবিউশনের মাধ্যমে ভুটানের কাউন্টার অ্যাটাকগুলো দারুণভাবে রুখে দেন। এর ফলে জামাল ভূঁইয়ারাও মাঝমাঠে বাড়তি খেলার স্বাধীনতা পান।

গোল না পাওয়ায় বিশ্বনাথের এই পজিশন পরিবর্তন নিয়ে সমালোচনা হলেও, আধুনিক ফুটবলে গ্যারেথ বেলের ডিফেন্ডার থেকে উইঙ্গারে রূপান্তরের ইতিহাস নতুন নয়। ভুটানের বিপক্ষে ডুলির এই ট্যাকটিক্যাল মাস্টারস্ট্রোক হয়তো গোল এনে দেয়নি, তবে এটি প্রতিপক্ষের মনে ঠিকই আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। এটিকে পাগলামি না বলে বরং কোচের এক সাহসি কৌশল বলেই মানছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।


সম্পাদকমন্ডলীর উপদেষ্টা -বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হারুন অর রশিদ, সম্পাদক -মো:এনায়েত হোসেন, সহযোগী সম্পাদক- এইচ এম মানিক

উপ-সম্পাদক- ইঞ্জিনিয়ার গোলাম ফারুক ওবি,বার্তা সম্পাদক- সবুজ ইসলাম, লিগ্যাল এডভাইজার- এডভোকেট শামীমা আক্তার।