<p><br></p>
০৫ নভেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৭:০৭:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মির্জাপুরে দরপত্র ছাড়াই সরকারি বালু বিক্রির অভিযোগ, ইউএনওর বিরুদ্ধে সহযোগিতার প্রশ্ন শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ‘উদ্যোগ’ ঋণের প্রলোভনে প্রতারণা: বিকাশ বা অন্য মাধ্যমে টাকা না দেওয়ার কড়া সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের সাদা অ্যাপ্রনের স্বপ্ন অধরা রেখেই কফিনে ফিরছে কাশ্মীরের মেডিকেলছাত্র আদনানের দেহ স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংসের হাত থেকে পুনরুদ্ধার করে ট্র্যাকে ফেরানো হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গোবিপ্রবিতে ৯ম জাতীয় মার্কেটিং দিবস পালিত জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ির মেলা শুরু: আইসিসিবিতে জমে উঠেছে ‘বারভিডা কার এক্সপো ২০২৬’ শ্রমিকদের দাবির আড়ালে বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না: বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে ট্রাভেল পাস নয়, বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির পথেই হাঁটবে ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: গোপালগঞ্জ সরকারি জেলা স্কুলের ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি


শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৫-১১-২০২৬
শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ


জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীন ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাকিব এবং রাজস্ব কর্মকর্তা মো. ফরিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী একজন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী এবং তাঁর অন্যান্য ব্যবসা থাকায় ঢাকা কাস্টমস হাউসের লাইসেন্সের কাজ কর্মচারীদের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়।

সম্প্রতি এক কর্মচারী অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনটি বড় প্রতিষ্ঠানের পণ্য কুরিয়ারের মাধ্যমে খালাস করা হয় এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বিষয়টি টের পেয়ে প্রথমে কিছু টাকা ঘুষ নিয়ে তা মীমাংসা করেন। পরবর্তীতে প্রায় ৩ কোটি টাকার ওপর শুল্ক ফাঁকি হয়েছে দাবি করে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন, যা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও তাঁর কর্মচারীর পক্ষে প্রদান করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাকিব কমিশনারের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হওয়ায় এবং রাজস্ব কর্মকর্তা ফরিদ বর্তমান ডেপুটি কমিশনার আমিনুল সাহেবের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ আইনি পদক্ষেপ নিতে সাহস পায় না।

অভিযোগপত্রে শুল্ক ফাঁকির সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো অ্যালেন অ্যাপারেলস লিমিটেড, ইউরেনাস অ্যাপারেলস প্রাইভেট লিমিটেড এবং কুইক অ্যাপারেলস লিমিটেড। ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের প্রশ্ন, যদি পণ্যগুলোর শুল্ক ছাড়করণ হয়েই থাকে, তবে একা শুধু সিঅ্যান্ডএফ কেন দায়ী হবে, কারণ কুরিয়ার ও মূল আমদানিকারক পক্ষও এর সঙ্গে সমানভাবে জড়িত। এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাকিবের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।



শেয়ার করুন