<p><br></p>
০৩ নভেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৭:০৬:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে আশুলিয়া ও সাভার উত্তপ্ত: শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ২০ পাঠদান বন্ধ রেখে খেলার মাঠে গরুর হাট: কুষ্টিয়ার চৌরঙ্গী মহাবিদ্যালয়ে ক্ষোভ ধর্মের অপব্যবহার ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিতেও ফাটল! ৬২ বিলিয়ন ডলারের ঋণের চাপে চীনের ক্রেডিট মার্কেটে বড় ঝাঁকুনি রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিতেও ফাটল! ৬২ বিলিয়ন ডলারের ঋণের চাপে চীনের ক্রেডিট মার্কেটে বড় ঝাঁকুনি সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: জিম্মি থাকা ৫ জেলে উদ্ধার, অস্ত্র ও গুলি জব্দ সুইডিশ দূতাবাসের বড় সিদ্ধান্ত: ঢাকায় শেনজেন ভিসা সংক্রান্ত সেবা স্থগিত মুকসুদপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা গোপালগঞ্জে কবি ও সাংবাদিকের স্ত্রী রিনা রানী মধু নেই ‎নাসিরনগরে চাঞ্চল্যকর অটোচালক হত্যা: মূল ঘাতক গ্রেফতার, ঘটনাস্থলে গিয়ে হত্যার বর্ণনা


ঢাকার আদালতকে দুই ভাগে বিভক্ত করতে হাইকোর্টে রিট
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-১১-২০২৬
ঢাকার আদালতকে দুই ভাগে বিভক্ত করতে হাইকোর্টে রিট


রাজধানীর বিচারিক কার্যক্রমে গতি আনতে এবং মামলার জট কমাতে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতকে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ—এই দুটি পৃথক বিচারিক অঞ্চলে বিভক্ত করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান মঙ্গলবার (আজ) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে যাওয়ার নেপথ্য কারণ: এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক, আইনগত ও বিচারিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইনমন্ত্রী, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন আইনজীবী সালাহ উদ্দিন। তবে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় তিনি শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

রিটের প্রধান দাবি: রিটে নিম্নলিখিত বিচারিক কাঠামোগুলো আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠা বা পুনর্গঠনের দাবি জানানো হয়েছে:

  • ঢাকা উত্তর: ঢাকা উত্তর জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং ঢাকা উত্তর মহানগর দায়রা আদালত।

  • ঢাকা দক্ষিণ: ঢাকা দক্ষিণ জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং ঢাকা দক্ষিণ মহানগর দায়রা আদালত।

কেন এই পরিবর্তন জরুরি? রিট আবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীতে বর্তমানে প্রায় আড়াই কোটি মানুষের বসবাস। বিশাল ভৌগোলিক এলাকার পাশাপাশি দেওয়ানি, ফৌজদারি, পারিবারিক এবং বিশেষ মামলার চাপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। একটিমাত্র কেন্দ্রীয় কাঠামোর অধীনে অতিরিক্ত মামলার চাপ, বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী, সাক্ষী ও আসামিদের দীর্ঘ ভিড়ের কারণে বিচারিক প্রশাসনের ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের আদালতে যাতায়াত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ার পাশাপাশি দ্রুত বিচার নিষ্পত্তিও মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিচার ব্যবস্থাকে সহজলভ্য ও গতিশীল করতেই এই পুনর্বিন্যাস সময়ের দাবি বলে উল্লেখ করা হয়।



শেয়ার করুন