<p><br></p>
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সাধারণ নির্বাচনের পর দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ১২০ আসনবিশিষ্ট নেসেটে কোনো পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় কে বসবেন রাষ্ট্রক্ষমতার মসনদে—তা নিয়ে শুরু হয়েছে টানটান উত্তেজনা।
গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন পরিবর্তনপন্থী বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী শিবির পেয়েছে ৫৩টি আসন (যার মধ্যে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি একাই জিতেছে ২৭টি আসন)।
এছাড়া আরব-প্রধান দলগুলো রেকর্ড ১৯টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠনের প্রধান ‘কিংমেকার’ বা নির্ণায়ক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট যাকে প্রথম সুযোগ দেবেন, তিনি সরকার গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় পাবেন (যা প্রয়োজনে আরও ১৪ দিন বাড়ানো যাবে)। এভাবে প্রথম ও দ্বিতীয় প্রার্থী উভয়েই সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে এবং নেসেটের ৬১ জন আইনপ্রণেতার অনুরোধে তৃতীয় কোনো প্রার্থীও ব্যর্থ হলে, ইসরায়েলি পার্লামেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং দেশকে ফের নতুন নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে।