<p><br></p>
অভিন্ন প্রশ্নপটে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়া বা বড় বিপর্যয়ের মুখোমুখি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ নিয়ে আসছে সরকার। শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে প্রথমবারের মতো বিশেষ সাপ্লিমেন্টারি বা সম্পূরক পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে এই বিশেষ পরীক্ষা শুরু হতে পারে এবং চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই এর ফলাফল প্রকাশ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিষয়ের শর্ত: যে সকল শিক্ষার্থী দুটির বেশি বিষয়ে অকৃতকার্য (ফেল) হয়েছেন, তারা এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। অর্থাৎ, সর্বোচ্চ এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীরাই কেবল সুযোগ পাবেন।
সাবেক পরীক্ষার্থীরাও সুযোগ পাবেন: শুধু চলতি বছরের পরীক্ষার্থীরাই নন, বরং ২০২৪ ও ২০২৫ সালে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীরাও এই সুযোগের আওতায় আসবেন।
মূল শর্ত: পূর্বের বছরগুলোতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ২০২৬ সালে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বা বৈধ রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে। ফলে শর্ত সাপেক্ষে পরপর দুই বা তিন বছর ধরে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নিতে পারবেন।
আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি: এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
ফরম পূরণ: আন্তশিক্ষা বোর্ডের প্রস্তাব অনুযায়ী, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ফরম পূরণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যা আগামী ৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলতে পারে।
প্রশ্নপত্র প্রণয়ন: আগামী ১ থেকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে প্রশ্নপত্র তৈরির কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে গত ৩১ অক্টোবর ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়ার এই পরিকল্পনার কথা জানান।
উল্লেখ্য, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী।