<p><br></p>
০৭ নভেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১১:৫৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নোয়াহ ওকাফরের জাদুকরী গোল: টটেনহামের জয়রথ থামাল লিডস আট বছর বোনের পরিচয়ে আত্মগোপন: অবশেষে আঙুলের ছাপে ধরা পড়লেন তুর্কি পলাতক আসামি ৭ নভেম্বর দেশের স্বাধীনতা রক্ষার দিন: রুহুল কবির রিজভী "সামাজিক মাধ্যমে হুংকার নয়, দেশে ফিরে কাঠগড়ায় দাঁড়ান: হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী" ষড়যন্ত্রকারীরা এক হয়ে দেশের বিরুদ্ধে পাঁয়তারা করছে: শামা ওবায়েদ গাজীপুরে উদ্‌যাপিত হলো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: জেলা প্রশাসনের নানা আয়োজন আওয়ামী লীগ নেতা হানিফ ও জাসদ নেতা ইনুর আশির্বাদে চাকুরী ফিরে পাওয়া সেই জামানুর এখন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী প্রথম শীতকালীন ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত গাজা: তলিয়ে গেছে ৭০ হাজার তাঁবু ৭ নভেম্বর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা হয়েছিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাভারে পুলিশের লুট হওয়া ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ যুবক আটক, মামলা দায়ের


গোপালগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত ১০ আসামি গ্রেপ্তার
সাইফুল ইসলাম গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৭-১১-২০২৬
গোপালগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত ১০ আসামি গ্রেপ্তার


গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মারামারি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেফতারি ওয়ারেন্ট ভুক্ত ১০ জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। 


শুক্রবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আটজন গওহরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন কামরুল খানের ছেলে আলামিন খান (৪০), আকবর খানের ছেলে সুমন খান (২২), মুকিত খানের ছেলে আকবর (৪৫), মৃত আজিম উদ্দিন খানের ছেলে সাদেক খান (৪৬), ছরোয়ার খানের ছেলে জামাল (৪৬) ও মোমরেজ (৪৩), গাউস খানের ছেলে সবুর খান (৪৬) এবং লায়েক আলীর ছেলে জিকরুল (৩২)। এ ছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের তিনটি মামলায় পরোয়ানাভুক্ত তরিক মুন্সী (২০) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

 

পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর উপজেলার গওহরডাঙ্গা গ্রামে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে শ্রীরামকান্দি ও গওহরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় উভয় পক্ষের ১৫ থেকে ২০ জন আহত হন।

 

এ ঘটনায় শ্রীরামকান্দি গ্রামের মৃত মফজেল সরদারের ছেলে নেজাম সরদার বাদী হয়ে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ জনকে আসামি করা হয়। পরবর্তী সময়ে আদালত থেকে কয়েকজন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।

 

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত ০৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

অন্যদিকে, একই রাতে নিলফা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি তরিক মুন্সীকে আটক করা হয়।

 

ওসি আইয়ুব আলী জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ১০ জনকে শনিবার সকালে আদালতে পাঠানো হলে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।



শেয়ার করুন