বর্ণাঢ্য আয়োজনে গোবিপ্রবিতে পালিত হলো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস


অনলাইন ডেস্ক , আপডেট করা হয়েছে : 07-11-2026

বর্ণাঢ্য আয়োজনে গোবিপ্রবিতে পালিত হলো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এসব কর্মসূচির মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বিশেষ প্রার্থনা।


শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‍্যালি বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে টেনিস কোর্টে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম।




প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. কে এম বাবর বলেন, "৭ নভেম্বর আমাদের জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের পথ নির্দেশক। সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়েছিলেন। তাঁরই আদর্শ অনুসরণ করে বর্তমান সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।" তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।


সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, "আমাদের মূল মন্ত্র হওয়া উচিত—'ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়'। বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে নিতে হলে দলীয় বা ব্যক্তিগত মতপার্থক্য ভুলে দেশের স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দিতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নে শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি বাড়াতে হবে।"


উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বেই দেশে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও সংহতি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম তাঁর বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।


অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ড. মাহবুব হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ড. এস এম আহসান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ এবং সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।



দিবসটি উপলক্ষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিকেলে কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।


সম্পাদকমন্ডলীর উপদেষ্টা -বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হারুন অর রশিদ, সম্পাদক -মো:এনায়েত হোসেন, সহযোগী সম্পাদক- এইচ এম মানিক

উপ-সম্পাদক- ইঞ্জিনিয়ার গোলাম ফারুক ওবি,বার্তা সম্পাদক- সবুজ ইসলাম, লিগ্যাল এডভাইজার- এডভোকেট শামীমা আক্তার।