জামায়াত-এনসিপি জোটে কি ফাটল? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন ও দলের নেতাদের ব্যাখ্যা


অনলাইন ডেস্ক , আপডেট করা হয়েছে : 07-11-2026

জামায়াত-এনসিপি জোটে কি ফাটল? স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন ও দলের নেতাদের ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে ‘মধ্যমণি’ হয়ে পথ চলা শুরু করেছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ভোটে এই জোট বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর থেকেই রাজনৈতিক ময়দানে তারা একসঙ্গে সরব ছিল। তবে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই দলের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

গুঞ্জনের কারণ ও লংমার্চে অনুপস্থিতি সম্প্রতি ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের অংশ না নেওয়া এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটের বাইরে গিয়ে উভয় দল আলাদাভাবে প্রার্থী ঘোষণা করার কারণে রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘জোটে ফাটল’ ধরেছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুই দলই আলাদা প্রার্থী চূড়ান্ত করায় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়।

নেতাদের বক্তব্য: ফাটল নয়, এটি রাজনৈতিক কৌশল তবে এই গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ‘মিডিয়ার অতি সক্রিয়তা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন শীর্ষ নেতারা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপি তাদের কমিটি পুনর্গঠন করে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াচ্ছে। আসন সমঝোতা বা ভোটের অঙ্কে দলগুলোর নিজস্ব কৌশল থাকাই স্বাভাবিক। এটিকে জোট ভেঙে যাওয়ার কারণ হিসেবে দেখানো এক ধরণের সংবাদমাধ্যমের অতিরঞ্জন মাত্র। তবে জোটের একটি অংশের মতে, সিটি নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে লড়লে জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকত—এ নিয়ে কিছুটা অভ্যন্তরীণ আলোচনা বা বিতর্কও রয়েছে।


সম্পাদকমন্ডলীর উপদেষ্টা -বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হারুন অর রশিদ, সম্পাদক -মো:এনায়েত হোসেন, সহযোগী সম্পাদক- এইচ এম মানিক

উপ-সম্পাদক- ইঞ্জিনিয়ার গোলাম ফারুক ওবি,বার্তা সম্পাদক- সবুজ ইসলাম, লিগ্যাল এডভাইজার- এডভোকেট শামীমা আক্তার।