অভিনয়শিল্পী সংঘের কঠোর পদক্ষেপ: তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্য পদ স্থগিত


অনলাইন ডেস্ক , আপডেট করা হয়েছে : 07-11-2026

অভিনয়শিল্পী সংঘের কঠোর পদক্ষেপ: তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈর সদস্য পদ স্থগিত

শুটিং সেটে হাতাহাতির অভিযোগ ও পরবর্তীতে বিরোধ মীমাংসা না হওয়ার জেরে অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও সামিয়া আক্তার অথৈ—দুজনকেই অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ-এর সদস্য পদ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। গত ৪ অক্টোবর পাঠানো পৃথক চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।


যে কারণে এই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত:

নোটিশের জবাব না দেওয়া: গত ৭ জুলাই দুই অভিনেত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হলেও তারা কেউই নির্ধারিত সময়ে লিখিত জবাব দেননি।


সালিসের নির্দেশনা অমান্য: সালিস কমিটির বৈঠকে তাদের ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি ও ভিডিও বার্তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা তা মানেননি।


যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা: বারবার চিঠি ও ফোন করা সত্ত্বেও তারা কোনো সদুত্তর না দেওয়ায় সালিস কমিটি বাধ্য হয়ে কার্যনির্বাহী (ইসি) কমিটিতে সদস্য পদ বাতিলের সুপারিশ করে, যা পরবর্তীতে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।


সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানান, পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও ভুল–বোঝাবুঝি দূর করতে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও দুই পক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।


যেভাবে সূত্রপাত হয়েছিল এই বিরোধের?

ঘটনার সূত্রপাত: গত ৩ মার্চ মানিকগঞ্জে পরিচালক রাফাত মজুমদারের একটি নাটকের শুটিং চলাকালে এই দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।


অথৈর অভিযোগ: নাটকের একটি দৃশ্যে তিশাকে আলতো চড় মারার কথা থাকলেও তিশা তাকে একাধিকবার জোরে চড় মারেন বলে অভিযোগ করেন সামিয়া অথৈ। এমনকি সেদিনের ঘটনায় ফেসবুকে লাইভে এসেও তিশার বিরুদ্ধে অপদস্থ করার অভিযোগ তোলেন তিনি।


তিশার বক্তব্য: অন্যদিকে তানজিন তিশা এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এক কিশোরীর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন। চরিত্রটির আচরণের অংশ হিসেবে চিত্রনাট্যের নির্দেশনা অনুযায়ীই শুটিংয়ে ওই দৃশ্য ধারণ করা হয়েছিল; এখানে ব্যক্তিগত কোনো আক্রোশ ছিল না।


পরিচালকের মন্তব্য: পরিচালক রাফাত মজুমদারও বিষয়টিকে শুটিংয়ের সময়ের একটি ভুল–বোঝাবুঝি বলে উল্লেখ করেছিলেন।


সংগঠনটির মতে, অভ্যন্তরীণ বিষয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়ে যাওয়া এবং সংঘের আচরণবিধি লঙ্ঘন করার কারণে এই বিরোধ শেষ পর্যন্ত বড় আকার ধারণ করে।


সম্পাদকমন্ডলীর উপদেষ্টা -বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হারুন অর রশিদ, সম্পাদক -মো:এনায়েত হোসেন, সহযোগী সম্পাদক- এইচ এম মানিক

উপ-সম্পাদক- ইঞ্জিনিয়ার গোলাম ফারুক ওবি,বার্তা সম্পাদক- সবুজ ইসলাম, লিগ্যাল এডভাইজার- এডভোকেট শামীমা আক্তার।