৭ বছরের চাকরিতেই শত কোটি টাকার মালিক! গণপূর্তের প্রকৌশলী রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক , আপডেট করা হয়েছে : 05-11-2026

৭ বছরের চাকরিতেই শত কোটি টাকার মালিক! গণপূর্তের প্রকৌশলী রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ

মাত্র ৭ বছরের চাকরি জীবনেই অবৈধ সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে। ক্ষমতার অপব্যবহার, কমিশন বাণিজ্য, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহে বদলি হয়ে কর্মরত রয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৮ সালে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা রেজাউল ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান। মোমিন মোল্লা ও আনোয়ারা বেগম দম্পতির পুত্র রেজাউল মূলত ছাত্রলীগ কোটায় চাকরিতে প্রবেশ করেন। ছাত্র রাজনীতির সুবাদে বিগত সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করতেন এবং নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অনিয়ম ধামাচাপা দিতেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও এই প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সদস্যরা এখনও বহাল তবিয়তে নিজেদের প্রভাব বজায় রেখেছেন।

ষষ্ঠ গ্রেডের একজন কর্মকর্তার পক্ষে ৭ বছরে বৈধ আয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়া অসম্ভব হলেও রেজাউল করিম বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। গ্রামের ভাঙা টিনের ঘরে বেড়ে উঠলেও চাকরি পাওয়ার পরপরই সেখানে নির্মাণ করেছেন একটি আলিশান ডুপ্লেক্স বাড়ি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে তিনি অধিকাংশ সম্পত্তি নিজের বাবা মোমিন মোল্লা, মা আনোয়ারা বেগম, স্ত্রী ফারহানা সুলতানা, শ্বশুর সুলতান আহমেদ, শাশুড়ি ফেরদৌসী আহমেদসহ অন্যান্য আত্মীয়স্বজনের নামে-বেনামে ক্রয় করেছেন। সংশ্লিষ্টদের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও ব্যাংক হিসাব যাচাই করলে এসব দুর্নীতির আসল চিত্র বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উত্থাপিত এসব দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে অভিযোগের বিস্তারিত পাঠিয়েও তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


সম্পাদকমন্ডলীর উপদেষ্টা -বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হারুন অর রশিদ, সম্পাদক -মো:এনায়েত হোসেন, সহযোগী সম্পাদক- এইচ এম মানিক

উপ-সম্পাদক- ইঞ্জিনিয়ার গোলাম ফারুক ওবি,বার্তা সম্পাদক- সবুজ ইসলাম, লিগ্যাল এডভাইজার- এডভোকেট শামীমা আক্তার।