গ্যালারিতে হাজারো তরুণের উল্লাস আর বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনার সবুজ মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদীয়মান ফুটবলারদের দুর্দান্ত গতির লড়াই—সবমিলিয়ে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ-২০২৬’-এর ফাইনাল ম্যাচটি পরিণত হয়েছিল এক উৎসবমুখর মিলনমেলায়। জমজমাট ও প্রাণবন্ত এই আয়োজন মুগ্ধ করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচ শেষে আয়োজকদের ভূয়সী প্রশংসা করেন বাফুফে সভাপতি। দেশের ফুটবলের মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এমন প্রতিযোগিতার আয়োজন অত্যন্ত সময়োপযোগী ও জরুরি ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান এবিজি স্পোর্টস সিটি এবং আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ-এবিজির উদ্যোগের প্রশংসা করে তাবিথ আউয়াল বলেন, কেবল পৃষ্ঠপোষকতা করার জন্যই নয়, বরং এমন একটি দূরদর্শী ভাবনার জন্য তারা সর্বোচ্চ প্রশংসার দাবিদার। আন্তবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের এই টুর্নামেন্ট প্রমাণ করেছে যে, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও প্রচুর প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে এবং দর্শকরা মাঠে এসে খেলা উপভোগ করতে ভালোবাসেন। এই ঐতিহাসিক আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত বলে উল্লেখ করেন।
টুর্নামেন্ট থেকে উঠে আসা তরুণ প্রতিভাদের জাতীয় দলে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাফুফে সভাপতি জানান, অংশগ্রহণকারী প্রতিটি খেলোয়াড়ই অত্যন্ত মেধাবী। তবে জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত হলো খেলোয়াড়দের সারা বছর পেশাদার ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং কোচের পর্যবেক্ষণ বা স্কাউটিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়া। কাঁচা প্রতিভাধর এসব তরুণদের ভবিষ্যতে দেশের বড় কোনো ক্লাবে খেলার সুযোগ তৈরি হলে জাতীয় দলে তাঁদের ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ফাইনালে দর্শকদের বিপুল সমাগম বিশেষভাবে নজর কেড়েছে বাফুফে সভাপতির। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই দর্শকদের আগ্রহ ও সমর্থনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বিশেষ করে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমর্থকদের মাঠের উপস্থিতি ফাইনালের রোমাঞ্চ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। এর মধ্যে ধানমন্ডি থেকে শিক্ষার্থীদের একটি দল মাঠে এসে নিজেদের দলকে যেভাবে সমর্থন জানিয়েছে, সেটিরও বিশেষ প্রশংসা করেন তিনি।
সম্পাদকমন্ডলীর উপদেষ্টা -বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হারুন অর রশিদ, সম্পাদক -মো:এনায়েত হোসেন, সহযোগী সম্পাদক- এইচ এম মানিক
উপ-সম্পাদক- ইঞ্জিনিয়ার গোলাম ফারুক ওবি,বার্তা সম্পাদক- সবুজ ইসলাম, লিগ্যাল এডভাইজার- এডভোকেট শামীমা আক্তার।