এইচএসসি, এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে নওগাঁ জেলায় সামগ্রিক পাসের হার ৬৫ শতাংশের বেশি হলেও ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্যের এ ঘটনায় জেলার শিক্ষাঙ্গনে উদ্বেগ ও আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলার ৩৩২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২০ হাজার ৭৮০ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়, উত্তীর্ণ হয়েছে ১৩ হাজার ৪৮৪ জন। সাধারণ এইচএসসিতে পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮০ শতাংশ (জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯০ জন), ভোকেশনালে ৫৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ (জিপিএ-৫ একজন) এবং আলিমে ৬৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ (জিপিএ-৫ ১৪ জন)।
শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলো হলো রামচন্দ্রপুর বাহালুল উলুম আলিম মাদ্রাসা, মহাদেবপুর, আরিফ মেমোরিয়াল কলেজ, মহাদেবপুর, হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) আলিম মাদ্রাসা, পোরশা, রাজাপুর বটতলী হাট মহাবিদ্যালয়, নিয়ামতপুর, সাঁওতাল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নিয়ামতপুর, বড়থল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, রাণীনগর, শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, ধামইরহাট, পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ, পত্নীতলা, মান্দা শ্যাম চাঁদের মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, মান্দা, ঘোনা আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, মান্দা, সোনাডাঙ্গা মহিলা বি.এম. অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ, আত্রাই।
এ ফলাফল কেবল একটি পরীক্ষার পরিসংখ্যান নয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান, পাঠদান ও জবাবদিহি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল ও শিক্ষাবিদরা।