পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আইয়ুব আলী এবং তাঁর স্ত্রী নাজনীন আক্তারের বিরুদ্ধে প্রায় ৪০ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পদমর্যাদা ও সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ এবং নানাবিধ অনিয়মের মাধ্যমে তিনি এই বিশাল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।
দুদকে জমা পড়া সুনির্দিষ্ট অভিযোগসূত্রে জানা যায়, রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় এই দম্পতির তিনটি বিলাসবহুল বাড়িসহ বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। শুধু রাজধানীতেই নয়, গ্রামের বাড়িতে জমিজমা, বসতভিটা, বিলাসবহুল যানবাহন এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতেও মোটা অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি বড় অংশের সম্পদ নিজের নামে ছাড়াও বেনামে বা অন্যদের নামে গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে তাঁর স্ত্রী নাজনীন আক্তারের নামেও একাধিক স্থাবর সম্পত্তি ও ব্যবসায়িক বিনিয়োগের তথ্য উঠে এসেছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পড়লেও এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কার্যকর বা দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে আইয়ুব আলী ও তাঁর স্ত্রী নাজনীন আক্তারের কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে যুক্ত করা হবে।
সংবাদের মূল বিষয়টিকে সহজ ও আকর্ষণীয় শিরোনামে রূপান্তর করা হয়েছে। সরকারি অনিয়ম ও সম্পদ বিবরণীর অংশগুলোকে সাংবাদিকতা/রিপোর্টিংয়ের স্ট্যান্ডার্ড ভাষায় বিন্যস্ত করা হয়েছে। ৩. পাঠকের সুবিধার জন্য অনুচ্ছেদ বা প্যারাগুলোকে পর্যায়ক্রমে সাজানো হয়েছে।