<p><br></p>
১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০:১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের তাগিদ সিইসির সঠিক নীতি ও পরিকল্পনায় যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব: মাহদী আমিন সৈয়দপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আন্তর্জাতিক লিগে সুযোগ নিতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়ছেন ব্রেসওয়েল, স্থলাভিষিক্ত নিক কেলি টেকসই আবাসন কেবল একটি ঘর নয়, এটি মানসম্পন্ন জীবনের সমষ্টি: প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে ভরিতে ১,৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমল সোনার দাম দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের পর রাজউক কর্মকর্তাদের বিদেশ পলায়ন: থমকে আছে আইনি প্রক্রিয়া সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত আবার খাই হারিয়ে যাওয়ার পথে, জীবন সংগ্রামের শেষ প্রান্তেও আবার খাই ফেরিওয়ালা। ‎মৌলভীবাজারে নাসিরনগরের সংঘবদ্ধ নারী চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক মোকামতলা উপজেলা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ২৯ বস্তা টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ৩০-১১-২০২৪
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ২৯ বস্তা টাকা ছবি : সংগৃহীত


কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার পাওয়া গেছে ২৯ বস্তা টাকা। এখন চলছে গণনা।

মসজিদটির ৯টি দানবাক্স রয়েছে। যেগুলো সাধারণত তিন মাস পরপর খোলা হয়। এবার খোলা হয়েছে ৩ মাস ১৪ দিন পর। ৯ টি দানবাক্স ছাড়াও এবার দুটি ট্রাঙ্ক যুক্ত করা হয়েছে। 

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মিজাবে রহমতের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীর উপস্থিতিতে শনিবার সকাল ৭ টার দিকে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রুবেল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মো. এরশাদ মিয়া, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) রওশন কবীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এখন চলছে গণনার কাজ। গণনা শেষে টাকার পরিমাণ জানা যাবে। ডিসি ফৌজিয়া খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকাল ৭ টার দিকে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে ৯টি দানবাক্স ও দুটি ট্রাঙ্ক খোলা হয়।

পুুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী জানান, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছে। টাকা গণনা শেষে ব্যাংকে পৌঁছে দেয়া পর্যন্ত পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।

টাকা গণনার কাজে জেলা প্রশাসনের কর্মী ছাড়াও রয়েছেন মাদ্রাসার ২৮৫ ছাত্র, ব্যাংকের ৫০ কর্মী, মসজিদ কমিটির ৩৪ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ সদস্য।

দানবাক্সগুলো খোলার পর গণনা দেখতে মসজিদের আশপাশে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা। 

এর আগে গত ১৭ আগস্ট সকালে মসজিদটির নয়টি দানবাক্স খুলে ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সে সময় গণনা শেষে টাকার পরিমাণ ছিল ৭ কোটি ২২ লাখ ১৩ হাজার ৪৬। সেইসঙ্গে মিলেছিল বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গহনাও।

মসজিদটিতে নিয়মিত হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলসহ নানা ধরণের জিনিসপত্র দান করেন অসংখ্য মানুষ।

জেলা শহরের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় ১০ শতাংশ জমিতে পাগলা মসজিদ গড়ে ওঠে। সম্প্রসারণের পর বর্তমানে মসজিদের আওতাভুক্ত জমির পরিমাণ তিন একর ৮৮ শতাংশে।

 



শেয়ার করুন